অবসরপ্রাপ্ত সচিব এ এম এম নাসির উদ্দীনের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। নবনিযুক্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) নাসির উদ্দীন প্রথম আলোকে বলেছেন, মানুষ যাতে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে, সেটা নিশ্চিত করতে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তাঁদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে।
নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ আবদুর রহমানেল মাসুদ, সাবেক যুগ্ম সচিব তহমিদা আহ্মদ ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
বিএনপি ও এর মিত্র দলগুলো দ্রুত নির্বাচন কমিশন গঠন করে ভোটের প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি তাগিদ দিয়ে আসছিল। নতুন কমিশন গঠনের পর গতকাল প্রথম আলোকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠনের মাধ্যমে দেশ নির্বাচন এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করল। এখন এই বার্তা গেল জনগণের কাছে। আমীর খসরু আরও বলেন, ‘এই নির্বাচন কমিশন ভোটের জন্য যে প্রস্তুতি বা যে প্রক্রিয়া তার কতটুকু করতে পারেন, সেটার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।’
বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা জোট গণতন্ত্র মঞ্চের দুটি দলের নেতারা নাসির উদ্দীনের নেতৃত্বে এই কমিশনের ওপর আস্থা রাখার কথা বলেছেন। তবে ওই জোটের আরেক নেতা ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি জানান, নতুন নির্বাচন কমিশনে প্রত্যাশিত কেউ নেই। তাই কমিশন নিয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মতিউর রহমান আকন্দ প্রথম আলোকে বলেন, নতুন কমিশন অংশগ্রহণমূলক, গ্রহণযোগ্য, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করে আস্থার প্রমাণ দেবে, সেটা জামায়াতের প্রত্যাশা। এ ছাড়া ইসলামি দলগুলোর মধ্যে ইসলামী আন্দোলনের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ছাড়া অন্যদের সম্পর্কে ধারণা নেই। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘সিইসি যদি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন, তাহলে নির্বাচনব্যবস্থার প্রতি জনগণের যে অনাগ্রহ এবং অনাস্থা তৈরি হয়েছে, সেটি পুনরুদ্ধারে সক্ষম হবেন বলে আশা করি।’
.png)
0 Comments